আপনার পাখির জন্য সুইটেবল কিছু ফল, শাক এবং সবজির তালিকা :
[IMAGE: https://cdn.steemitimages.com/DQmQZp3e81y9s7hK9S5Gh6AcobM9ANLF4v6DckYS4jm9nvZ/maxresdefault.jpg]
ফল :
- আপেল
- কলা
- আম
- তরমুজ
- আঙুর
- পীচ ফল
- নাশপাতি
- স্ট্রবেরী
- কমলা লেবু
সবজি :
- মিস্টি কুমড়া
- পেপে
- টমেটো (দেশি)
- পটোল
- শসা
- মিস্টি আলু
- ব্রোকোলি
- গাজর
- বাধাকপি
- বীট
- বরবটি
- সজনের ডাটা
শাক_পাতা :
- কলমি শাক
- পালং শাক
- লেটুস পাতা
- ধনেপাতা
- পুদিনা পাতা
- সরিষা শাক
- লাল শাক
- সজনে পাতা
[IMAGE: https://cdn.steemitimages.com/DQmQZp3e81y9s7hK9S5Gh6AcobM9ANLF4v6DckYS4jm9nvZ/maxresdefault.jpg]
কেন_দেয়া_প্রয়োজন ?
- সীডমিক্সে সাধারণত সবরকম পুষ্টি উপাদান থাকেনা, থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত না যা শাক/সবজি/ফলের মাধ্যমে পূরণ হয়।
- সীডমিক্সের উপর বেশি প্রেসার পড়লে সেই পাখি খুব সহজেই পরিপাকতন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে, যেমন খাবার সহজে হজম না হওয়া, বমি করা, পুপ্সের সাথে আস্ত খাবার বের হওয়া, পাকস্থলির হজম শক্তি এবং সহ্যক্ষমতা কমে আসা, ফলে ঘনঘন পেট খারাপ হওয়া ইত্যাদি।
- শুধু সীডমিক্স খাওয়া পাখি খুব দ্রুত অতিরিক্ত ফ্যাটি হয়ে যেতে পারে যা পরবর্তীতে ব্রিডিং এর ওপর প্রভাব ফেলে।
- পাখি তার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাক্সিমাম ভিটামিন এবং মিনারেলস এগুলো থেকেই পায়। প্রকৃতিতেও এদের ডায়েটের অনেক বড় একটা অংশ জুড়ে শাক/সবজি/ফলমূল থাকে।
- পাখির রং উজ্জ্বল করতে এবং পালক সুন্দর করতে এগুলো খুব বড় ধরণের ভূমিকা রাখে।
- শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, জীবনিশক্তি বৃদ্ধি করে, গড় আয়ু বৃদ্ধি করে।
পরিবেশনের_নিয়ম :
শাক-পাতা টাইপের খাবার খাঁচার গ্রিলের সাথে ঝুলিয়ে দিতে পারেন অথবা একটা ছোট আটি করে একসাথে বেঁধে এক কোনায় বেধে দিতে পারেন। চাইলে কুচি করে বাটিতেও দিতে পারেন।
ফল এবং সবজিগুলো একটা স্লাইস কেটে খাঁচার মধ্যে দিয়ে রাখলেই পাখি ইচ্ছামত খেয়ে নিবে। অথবা গ্রেটারে ঘষে খুব মিহি করে ফেলতে হবে এরপর একটা বাটিতে করে পাখিকে দিতে হবে।
চাইলে এগুলো সবই গ্রেটারে ঘষে একসাথে মিশিয়েও পাখিকে দিতে পারেন, কালার ফুল জিনিসের প্রতি পাখির আগ্রহ অনেক বেশি, এজন্য খাবেও অনেক মজা করে।
মনে রাখতে হবে পাখির মোট ডায়েটের অন্তত ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শাক/সবজি/ফল রাখা প্রয়োজন। যেকোনো ফল দেয়ার আগে বিচি ফেলে দিতে হবে এবং ফল/সবজি/শাক যেটাই হোক, পাখিকে দেয়ার আগে অন্তত ৩ বার পানিতে ডলে ডলে ধুয়ে নিতে হবে।