মানুষ সামাজিক জীব, ছোট বেলা থেকে বিশেষ করে সমাজ বইয়ের মাধ্যমে এই কথা জেনে আসতেছি। কিন্ত এই সামাজিক জীব সমাজবদ্ধ ভাবে থাকতে চায়না। কেউ চায় সমাজের নিয়ম ভাংতে, কেউ চায় নিজের মত করে নিয়ম বানাতে। আবার কেউ চায় এই সমাজ থেকে বেড়িয়ে নিজের মত করে বাঁচতে। তাহলে কি খেয়াল খুশিমত জীবন চলবে ? নাকি খেয়াল খুশিমত সমাজ চলবে ?
মানুষ নামক জীবটা সামাজিক হলেও, এটি একটি খুবই বিচিত্র প্রাণী। দেখবেন বেশীর ভাগ মানুষই ভালবাসা পেতে ভালবাসে না। কষ্টটা পেতেই বেশী সাচ্ছন্দ বোধ করে। যাকে খুব বেশী ভালবাসেন একদিন সকাল বেলা দেখবেন সে মনের কষ্টে কান্না করছে। রহস্য উদ্ঘাটন করে দেখা যাবে আপনার জন্য পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে মনের ক্ষোভে আপনার সাথে রাগ করে বসে আছে, কারণ আপনি তার সাথে সাক্ষাতে দেরি করে ফেলেছেন। তাই সে মনের ক্ষোভে কষ্ট পাচ্ছে। অথচ সে একবারও ভাবেনি তার সাথে দেখা করতে এসে আপনি কোন বিপদে পড়েছেন কিনা।
কত দিন, কষ্ট করে ঝড়ঝাপটা পেড়িয়ে কত ভাল ভাল খাবার তাকে খাইয়েছেন , সে কথা সে মনে রাখেনি। অথচ, একদিন তাকে ডাল পুরি খাওয়াতে পারেননি বলে সারা জীবন সে মনে রেখেছে। ১৫ বছর পর হলেও তার মনে থাকবে কোন দিন আপনি তাকে ডাল পুরি খাওয়াতে পারেননি। অথচ কি হওয়া উচিত ছিল !! অনেক অনেক ভালবাসার বিনিময়য়ে সেদিন ডাল পুরির কথা তার মনেই থাকার কথা ছিলনা। আজ তার ছোট ছোট ভালবাসা মনে থাকেনা ? ভালবাসাটাকে কেন আমরা বুকে ধারন করতে চাইনা। অথচ যে কষ্ট আমার পাশদিয়ে আরাল হয়ে যাওয়ার কথা সেই কষ্টকে আমরা কেন বুকে নিতে পছন্দ করি।
[IMAGE: https://images.hive.blog/DQmY7bDjoZzRHLQA7yRGrsiyhB5H6F73gNUmKJcoqkvgA1t/couple-437968_1280.jpg]
সমাজ বদ্ধ জীবনযাপনে আমাদের একে অপরের ভালবাসা বিনিময় করা উচিত । ভাবনাগুলির সাথে মিল থাকার কথা ছিল কিন্ত ভাবনাগুলির অমিল থাকার কারণে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব বেড়ে যাতে থাকে। তবে কেন এই ভাবনার অমিল ? সেটাও নির্ভরকরে মানুষের উপর। মন যদি খারাপ থাকে তাহলে আপনি যত ভাল চিন্তা করে কিছু বলেন না ক্যান সেটাকে পেচিয়ে পেচিয়ে খারাপের দিকে নিয়ে যাবে। তাই প্রতিটা ক্ষেত্রে আমারদের মনের ভাবনা গুলি সাবলীল সুন্দর হওয়া জরুরি। ভালবাসার মানুষেরা কষ্টটা যেভাবে নিজের দিকে টেনে নেয় ভালবাসাটা যদি সেইভাবে টেনে নিত তাহলে ভালবাসাটা ও পরিপূর্ণ হত।