__________     __ __     __  _______    ________
  / ____/ __ \   / // /    / / / /  _/ |  / / ____/
 / / __/ / / /  / // /_   / /_/ // / | | / / __/
/ /_/ / /_/ /  /__  __/  / __  // /  | |/ / /___
\____/\____/     /_/    /_/ /_/___/  |___/_____/

 --- A GOPHER-LIKE INTERFACE FOR HIVE BLOCKCHAIN ---

Kath Golap flower

BY: @labib316 | CREATED: Sept. 13, 2018, 12:20 p.m. | VOTES: 1 | PAYOUT: $0.00 | [ VOTE ]

কাঠ গোলাপ যখন আমার বাগানে...

দেখতে মোটেও গোলাপের মতো নয়। তবে নামের সঙ্গে গোলাপ শব্দটি যুক্ত আছে। হ্যাঁ, কাঠগোলাপ নাম। খুব পরিচিত ফুল। বার বার দেখা। আর এখন তো মৌসুম। সর্বত্র ফুটে আছে। উঁচু গাছ। ছড়ানো ডালপালা। অনেক দূর থেকে দেখা যায়। কাঠগোলাপ গাছে যেমন থাকে, ঝরেও পরে দ্রুত। ভূমির উপর উপুড় হয়ে পরে থাকা ফুল যথেষ্ট সতেজ। অটুট থাকে মিষ্টি ঘ্রাণ। গাছের নিচ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পথিককে তাই থামতে হয়। ছোট ছোট ছেলেমেয়ে ফুল কুড়িয়ে নাকের সামনে ধরে। অদ্ভুত ভঙ্গি করে ঘ্রাণ নেয়। তরুণীরা চুলের ভাঁজে গুঁজে নেয়। সব মিলিয়ে দারুণ প্রিয় ফুল কাঠগোলাপ। একই ফুল কাঠচাম্পা, গৌরচাম্পা, চালতা গোলাপ, গুলাচি, গোলকচাঁপা নামেও পরিচিত। আর ইংরেজীতে ফুলটিকে বলা হয় প্যাগোডা ট্রি। গাছটি দেবমন্দিরে খুব পাওয়া যেত বলেই এমন নামকরণ। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা কাঠগোলাপকে মৃত্যুহীন প্রাণের প্রতীক বলে মনে করে।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে- খুব পরিচিত ফুল। অনেকের তাই জানা, কাঠগোলাপ গাছের দেহ নরম। কোমল। ভঙ্গুর। শাখা প্রশাখার অগ্রভাগে থোকা থোকা ফুল হয়। সচরাচর যে কাঠগোলাপ দেখা যায়, পাপড়ির রং হয় সাদা। পাঁচ পাপড়ির ফুলের কেন্দ্রে গাঢ় হলুদ রঙের ছোঁয়া থাকে। দুই রঙের স্পর্শে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে ফুলটি। একই ফুল লাল রঙেরও হয়ে থাকে। পাপড়ির উর্ধাংশ প্রশস্ত। এই ফুল সারা বছর ফোটে না। এমনকি পাতাও ঝরে যায়। শীতের শেষে ঝরতে শুরু করে। দেখতে নিষ্পত্র হয়ে যায় গাছ। তখন ন্যাড়া মাথার মতো দেখতে হয়। অন্য গাছের পাশে এটি যেন মরা কোন গাছ। তবে গ্রীষ্মে নতুন প্রাণ পায়। বেশ লম্বা আর বড় বড় পাতা হয়। শাখার শেষ অংশে ঘন বিন্যস্ত গুচ্ছ গুচ্ছ পাতা। শুধু পাতার সৌন্দর্যও চোখে পড়ার মতো।

কাঠগোলাপের আদি নিবাস গুয়াতেমালা ও মেক্সিকো। এখন বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয়। কাঠগোলাপের কিছু প্রজাতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। যেমন- প্লুমেরিয়া রুবরা ফরমা এ্যাকুইটিফলিয়া, প্লুমেরিয়া রুবরা, প্লুমেরিয়া এ্যালবা, প্লুম্যারিয়া ও টিউবারকুলেটা। গাছের উচ্চতা ১২ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফুলের ব্যাস হয় প্রায় ২ ইঞ্চি।
এই গ্রীষ্মে সারা দেশের মতো রাজধানী ঢাকায় সহ অনেক জায়গায় এখন ফুলটি দেখা যাচ্ছে।
এ্যরোমাথেরাপিতে বিশেষ ভাবে এই ফুলের ব্যহবার বেড়েছে।
ইউরোট, থাইল্যান্ড,মালয়েশিয়া, জাপান,ভারত ও চীনে বানিজ্যিক ভাবে এই ফুলে চাষ হচ্ছে।

ফুলপ্রেমীরা সেই মায়ার সন্ধান করেন। আর তখন খুব চেনা ফুলটিও হয়ে ওঠে অনন্য অসাধারণ।

[IMAGE: https://img.esteem.ws/mf8qij1mv2.jpg]

TAGS: [ #flower ] [ #gardening ]

Replies

@introduce.bot | Sept. 13, 2018, 12:21 p.m. | Votes: 0 | [ VOTE ]

@labib316, I gave you a vote!If you follow me, I will also follow you in return!Enjoy some !popcorn courtesy of @nextgencrypto!

@popcornexpress | Sept. 13, 2018, 12:21 p.m. | Votes: 0 | [ VOTE ]
[ BACK TO TRENDING ] [ BACK TO MENU ]
CMD>